বিজেপির জনসভায় জনসমাগমের ঘাটতি, রাজ্যে নির্ধারিত সফর সূচী বাতিল অমিত শাহের

নিউজ ডেস্ক : রাজ্যে বিজেপির গত বেশ গত বেশ কয়েকটি জনসভায় জনসমাগম এর ঘাটতি দেখা যাওয়ায় রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে নির্ধারিত সফরসূচির বাতিল ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মার্চ মাসের ২ এবং ৩ তারিখে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারাভিযানে আসার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। কিন্তু বিজেপির তরফ থেকে কোনো ব্যাখ্যা না দিয়েই এই সফরসূচির বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অমিত শাহ এর পরবর্তী সফরের দিনক্ষণ এখনো পর্যন্ত স্থির করা হয়নি বলে জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

দিনদুয়েক আগে বিজেপির (BJP) তরফে জানানো হয়েছিল, ২ মার্চ ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই দিন উত্তর কলকাতার টালা থেকে চৌরঙ্গী পর্যন্ত মিছিল করার কথা ছিল তাঁর। তার পরের দিন অর্থাৎ ৩ মার্চ দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত মিছিল করতেন তিনি। মালদহে একটি জনসভাতেও যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কাকদ্বীপে কলকাতা জোনের যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা শাহ করেছিলেন তার সমাপ্তি হওয়ার কথাও ছিল ওই দিনই। কিন্তু রবিবার শাহের সফরের অনিশ্চয়তার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, তাঁর ওই ২ দিনের সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হচ্ছে। যদিও দলের তরফ এখনও তাঁর সফর বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়নি।  

উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। প্রচারের উদ্দেশে দফায় দফায় রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। বিভিন্ন জেলায় একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা। জনসংযোগও করছেন। চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্য সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জনসভা, রোড শো করেছিলেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজন সেরেছিলেন কাকদ্বীপের এক মৎস্যজীবীর বাড়িতে। কিন্তু অমিত শাহের গত বেশ কয়েকটি জনসভায় বক্তৃতা চলাকালীন সভা স্থল প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়। জেপিন আড্ডার জনসভাগুলোতেও আদৌ জনসমাগমের ছিটেফোটাও লক্ষ্য করা যায়নি। ঝারগ্রাম এ বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় ১০ হাজার মানুষ জড়ো করার টার্গেট রাখলেও ১ হাজার মানুষ ও খুঁজে পাওয়া যায় নি সেদিন। পূর্বের তুলনায় অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছেন রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী, রাজিব বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সেই পুরনো ছন্দে। তারি মাঝে অমিত শাহের এই সফর বাতিল স্বভাবতই প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *