মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা, ইরানের বিভিন্ন স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও জোরদার করেছে। এই অভিযানে সমর্থন জানিয়েছে ইসরায়েল। পাল্টা জবাব দিতেও পিছিয়ে নেই ইরান। একের পর এক আক্রমণ ও পাল্টা আঘাতে পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত টালমাটাল।এই সংঘাতের মধ্যেই ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। তারা বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ত জলপথ স্ট্রেইট অফ হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। তার প্রভাব সরাসরি পড়ে ভারতের বাজারেও। কয়েক দিনের মধ্যেই জ্বালানির দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয় এবং এলপিজি সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। জানা গেছে, ভারতীয় পতাকা বহনকারী তেলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ভারতীয় জাহাজের উপর কোনও আক্রমণ করা হবে না।পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার মধ্যেও ভারতের জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখার পথ কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে।খবরে জানা গেছে, বুধবার পর্যন্ত প্রায় ২৮টি ভারতীয় জাহাজ ওই জলপথে আটকে ছিল। তবে সম্প্রতি ‘পুষ্পক’ ও ‘পরিমল’ নামে দুটি ভারতীয় তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। একই সময় সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি জাহাজও নিরাপদে মুম্বই বন্দরে পৌঁছেছে।


