
বুধবার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চমকপ্রদ ঘোষণা দিয়েছেন—কয়েকটি দেশের উপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করা হবে। আশ্চর্যের বিষয়, এই তালিকায় অ্যান্টার্কটিকার কাছাকাছি অবস্থিত জনমানবহীন হিয়ার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জও অন্তর্ভুক্ত। এর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি দূরবর্তী অঞ্চল, যেমন কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ, ক্রিসমাস দ্বীপ, এবং নরফোক দ্বীপও এই তালিকায় রয়েছে।
একটি প্রেস কনফারেন্সে ট্রাম্প একটি পোস্টার প্রদর্শন করেন, যেখানে নতুন শুল্কের আওতায় আসা দেশ ও অঞ্চলগুলির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, হিয়ার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপের উপর ১০% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কিছু বাইরের অঞ্চলও এই তালিকায় আছে। নরফোক দ্বীপ, যেখানে প্রায় ২,১৮৮ জন বাসিন্দা, সেখানে ২৯% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের গড় শুল্কের তুলনায় অনেক বেশি।

অবাক করা বিষয় হলো, হিয়ার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপে কোনো মানুষ বসবাস করে না, তবে সেখানে মাছ ধরার ব্যবসা আছে। তবুও, ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপগুলো থেকে প্রায় ১.৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যা মূলত যন্ত্রপাতি এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম।
এই বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, “পৃথিবীর কোনো স্থানই নিরাপদ নয়। নরফোক দ্বীপের উপর ২৯% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এটা প্রমাণ করে যে, নরফোক দ্বীপ যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অর্থনীতির প্রতিযোগী নয়, তবুও শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।”