জ্যোতির্ময় মন্ডল,এনবিটিভি,পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বরে পাঁচদিন আগে মাঠের মাঝে সাবমার্সিবেল পাম্প ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ মিলেছিল এক যুবতীর।পরিবারের দাবি ছিল ঘটনাটি আত্মহত্যা নয় খুন।পুলিশের তদন্তের দাবি জানান যুবতীর পরিবার। ওই ঘটনায় মৃতার প্রাক্তন স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রাক্তন স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করলো মন্তেশ্বর থানার পুলিশ।ধৃত সাইফুদ্দিন মণ্ডল পূর্বস্থলীর বাসিন্দা। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২রা জুলাই মন্তেশ্বরের দেনুর গ্রামের মাঠের মাঝে সাবমার্সিবল পাম্প ঘরের বাইরে এক যুবতীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছিল মন্তেশ্বর থানার পুলিশ। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছিল সুমাইয়া খাতুন ( ২১) নামে বিবাহবিচ্ছিন্না ওই যুবতী মৌসা গ্রামে বাপের বাড়িতেই থাকতো। মৃতার পরিবার জানায় ঘটনাটি আত্মহত্যা নয়, পুলিশি তদন্তের দাবিও জানায় ।
তদন্তে নেমে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ মৃত যুবতীর মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে প্রাক্তন স্বামী পূর্বস্থলীর সাইফুদ্দিন মণ্ডলের সন্ধান পায়। মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রাম এলাকা থেকে সাইফুদ্দিন কে আটক করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, জেরার মুখে সাইফুদ্দিন প্রাক্তন স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেছে। তার দাবি, বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেলেও স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিল তার। স্ত্রী সুমাইয়া তাকে মোবাইলে ফোন করতো। বেড়াতে যাবার প্রস্তাব দিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে সাবমার্সিবল পাম্পঘরের কাছে প্রথমে ঘুমের ওষুধ মেশানো ঠান্ডা পানীয় খাওয়ায়। তারপর ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে তাকে। তারপর সেই দেহ ঝুলিয়ে দেয় পাম্প ঘরের ছাদে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃত যুবতীর পরিবার ।


