যদি বিশ্বাস বা আস্থার ভিত্তিতে রায় প্রদান করেন তবে আইনের গ্রন্থাগার এবং আইনের বই পুড়িয়ে ফেলুন মন্তব্য করেছেন জমিয়তে উলামায়ে-হিন্দের একাংশের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানি।
শুক্রবার দিল্লিতে জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “বাবরি মসজিদের রায় থেকে বোঝা গেল যখনই দেশের সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হবে, সর্বদা সংখ্যাগরিষ্ঠরা যা চায় তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।এটি আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলে তাতে কিছু যায় আসে না।
রাতারাতি লোহার গ্রিল ভেঙ্গে জ্ঞানবাপি মসজিদের সেলারে পূজা শুরু করায় মুসলিম নেতারা গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মুসলিম নেতারা “উপাসনার স্থান আইন ১৯৯১ এর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নীরবতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সভাপতি মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ রহমানী, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা সৈয়দ আরশাদ মাদানি, মারকাজী জমিয়ত আহলে হাদিস হিন্দের আমীর মাওলানা আসগর আলী ইমাম মেহেদী। , মাওলানা সৈয়দ মাহমুদ আসাদ মাদানী, সভাপতি, জমিয়তে উলামা-ই-হিন্দ, মালিক মোহতাশিম খান, নায়েব আমির, জামায়াতে ইসলামী হিন্দ, আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, এমপি, সভাপতি, অল ইন্ডিয়া মজলিস ইত্তেহাদুল মুসলিমীন, মাওলানা মুফতি মুকাররম আহমেদ, শাহী ইমাম, ফতেহপুরী মসজিদ, ডাঃ এস.কিউ.আর. ইলিয়াস, ওয়ার্কিং কমিটির মুখপাত্র ও সদস্য, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড, কামাল ফারুকী, ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড।


