
চলছে পবিত্র রমজান মাস। এই সময়ে গোটা পৃথিবীর মুসলমানরা সারা মাস জুড়ে রোজা বা উপবাস রাখেন। সন্ধ্যার সময়ে তারা সাধারণত ড্রাই ফ্রুটস খেয়ে রোজা ভাঙেন, অর্থাৎ, ইফতারি করেন। বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী, নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। এগুলি মনঃসংযোগ ও একাগ্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি বজায় রাখতে সহায়তা করে। এমনকি বয়স বাড়লেও মস্তিষ্ক সজাগ ও সক্রিয় থাকে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, অতিরিক্ত পরিমাণে নয়, বরং পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করলেই উপকার পাওয়া যাবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন ড্রাই ফ্রুটস মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে উপকারী।

আখরোট- প্রতিদিন সকালে একটি আখরোট খাওয়া যেতে পারে। চাইলে আগের রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে খাওয়া আরও উপকারী। আখরোটে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং বয়সজনিত দুর্বলতা প্রতিরোধ করে।
আমন্ড- ২/৩টি আমন্ড রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খোসা ছাড়িয়ে খেলে সর্বাধিক উপকার পাওয়া যায়। এতে থাকা ভিটামিন ই মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। ফলে মস্তিষ্ক সজাগ থাকে ও দ্রুত কাজ করতে পারে।
কাজুবাদাম- কাজুবাদামে থাকা ম্যাগনেসিয়াম মনঃসংযোগ ও একাগ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে এটি ওজন বাড়াতে পারে, তাই প্রতিদিন ২-৩টির বেশি খাওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি, নুনযুক্ত কাজুবাদাম এড়িয়ে চলাই ভালো।
পেস্তা- পেস্তা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক। ঈষদুষ্ণ দুধের সঙ্গে পেস্তা গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
কিশমিশ- মস্তিষ্ক সজাগ রাখতে ও দ্রুত কাজের দক্ষতা বাড়াতে কিশমিশ উপকারী। বিশেষত, কিশমিশ ভিজানো জল পান করলে আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়।
ডুমুর- ডুমুর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকরী। এটি শুকনো অবস্থায় কিংবা ভিজিয়ে খাওয়া যেতে পারে, উভয় ক্ষেত্রেই উপকার পাওয়া যায়।

পরিমিত মাত্রায় এই ড্রাই ফ্রুটসগুলি নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ও সতেজ থাকবে।