
খাদ্য রসিক ভারতীয়দের, রসনা তৃপ্তি পূরণ করতে গিয়ে হার মানিয়েছে সকল বৈচিত্র্যকে। চাইনিজ, ইটালিয়ান, আফগানি খাবার সহ বিশ্বের নানা প্রান্তের খাদ্যকে নিজের মতন করে পরিবেশন করার প্রতিযোগিতায় সর্বপ্রথমে বোধহয় ভারতীয়দের নামটাই আসে। বিকেল বেলা যখন অফিস পাড়াগুলোতে কর্পোরেট ২২ গজে হাফ টাইম নেওয়ার ধুম ওঠে অথবা পড়ার চাপে স্কুল কলেজ ফিরতি ক্লান্ত পড়ুয়াদের রসনা তৃপ্তিতে অন্যতম প্রধান খাদ্য হিসেবে চাইনিজ একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে। বলাবাহুল্য ভারতীয় স্বাদে নির্মিত চাইনিজ।

এবার সাধারণ মানুষের এই ইমোশনে আঘাত হানলো কিছু অসাধু মোমো ব্যবসায়ীরা। পাঞ্জাবে মোমো কারখানা থেকে পাওয়া গেল কুকুরের মাংস। এর আগে যদিও কলকাতা শহরে পাঁঠার মাংসের দোকানে, খাসির মাংসের বদলে কুকুরের মাংস বিক্রি করার ঘটনাকে নিয়ে প্রবল আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছিল।
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কারখানায় অপরিচ্ছন্নতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ দায়ের করে পৌরসভার কাছে। সেই সূত্রেই তদন্ত করতে আসে পৌরসভা। তবে তদন্ত করতে এসে যে ঘটনার সাক্ষী রইল তারা তা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কারখানার ফ্রিজ থেকে পাওয়া গেল পাগ প্রজাতি কুকুরের মাথা। কারখানার কর্মীরা দাবি করেছে মোমোতে ব্যবহার করা হতো না কুকুরের মাংস। কারখানার কয়েকজন নেপালি কর্মী দাবি করেছেন তারা খেতেন এই মাংস।

কারখানা থেকে চণ্ডীগড়, পঞ্চকুলা, কলকায় সরবরাহ করা হতো মোমো ও স্প্রিং রোলে। পুলিশ সূত্রে খবর, কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণে মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত মাংস ল্যাবরেটরি টেস্টে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট আসার পরেই জানা যাবে মোমোতে প্রকৃত অর্থে কুকুরের মাংস ব্যবহার করা হতো কিনা।