আর মাত্র এক বছরেরও কম সময় বাকি। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের তোড়জোড় ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। ২৬ এ বাংলার মসনদ দখল করতে মরিয়া বাংলার প্রত্যেকটি বিরোধী দল। একই রকম ভাবে একনায়কত্ব ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শাসক শিবির, তৃণমূল কংগ্রেস। এমন আবহে প্রখর সূর্যের দাবদাহের চাইতেও বেশি উত্তপ্ত বঙ্গীয় রাজনীতি। আর এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতির ময়দানে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনায়, খুব ভালোভাবে আগুনে ঘি ঢালার কাজ করছে।
বিধানসভার নির্বাচন শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগেই ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক ও দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা হুমায়ুন কবিরের কন্ঠে শোনা গেল ছাড়ার কথা। তার বলেন, “১৫ অগাস্ট অবধি দেখব, যে, এই জেলার নেতাদের কোনও সংশোধন বা পরিবর্তন কিছু হচ্ছে কি না। তারপরে একটাই অপশন আছে, মুর্শিদাবাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনতা, এমনকী কিছু হিন্দু ব্যক্তিও রয়েছেন, যাঁরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাঁরা বলছেন যে, তাঁরা প্রস্তাব আকারে দিচ্ছেন বারবার। আপনি নিজে একটা কোনও রাস্তা বের করুন। শুধু হুমায়ুন কবীর কেন ? অনেক হুমায়ুন কবীর থাকবে।”
অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, হুমায়ুন কবিরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, “যদি নতুন পার্টি তৈরি করেন, কেউ তো আটকাতে যাবে না । তার অধিকার আছে। তার আগে তো পদত্যাগ করুন। দল এইসব ডেডলাইনের পরোয়া করে না। উনি কালকে যেতে পারেন। ডেডলাইন দিয়ে লাভ নেই। দল কয়েকবার সতর্ক করেছে। দলের মধ্যে থাকতে গেলে অনুশাসন মেনে থাকতে হবে। তারপর ওঁর বিষয়।”


