
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, নির্বাচন এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে হবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, আগামী নির্বাচনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু ও অবাধ হোক। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে শুরু করবে। “

গুজবের বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, “গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। এসব গুজব ও মিথ্যা তথ্যের মোকাবিলা করতে আমরা জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পর্ব সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। গুজবের মাধ্যমে যারা চেষ্টা করছে দেশকে বিপথে পরিচালিত করতে, তাদের পরিকল্পনা আমরা সফল হতে দেব না।”
তিনি আরও জানান এর পর নারীদের অবস্থান উন্নত হবে এবং নারীর অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া, সংখ্যালঘুদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠন করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জানা গিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কাজ শুরু করেছে। ৩৮টি রাজনৈতিক দলের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে বৈঠক চলছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেয়া হচ্ছে এবং সংস্কারের জন্য ঐকমত্য তৈরি হচ্ছে।