দীপাবলির আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দিল্লিতে গ্রিন ক্র্যাকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলেও, তার পর থেকেই রাজধানীর বাতাসের গুণমান ভয়াবহভাবে নেমে গেছে।
নীতি আয়োগের প্রাক্তন সিইও এবং ২০২৩ সালের জি২০ সম্মেলনের শেরপা অমিতাভ কান্ত এক্স-এ পোস্ট করে বলেন, “দিল্লির বাতাসের গুণগত মান ভেঙে পড়েছে। ৩৬টির মধ্যে ৩৮টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ‘রেড জোনে’। AQI ৪০০-এর উপরে। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট তার নির্দেশে শ্বাস নেওয়ার অধিকারের চেয়ে বাজি পোড়ানোর অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।”
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, দিল্লি বিশ্বের অন্যতম দূষিত রাজধানী, এবং কেবলমাত্র কঠোর ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ দিল্লিকে এই স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারে। তাঁর প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—
- ফসল ও জৈব বস্তু পোড়ানো বন্ধ করা
- তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ইটভাটা আধুনিকীকরণ বা বন্ধ করা
- ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহনকে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় রূপান্তর
- নির্মাণকাজে ধুলো নিয়ন্ত্রণ
- সম্পূর্ণ বর্জ্য পৃথকীকরণ ও প্রক্রিয়াকরণ
- দিল্লিকে সবুজ, হাঁটার উপযোগী ও পরিবহন-কেন্দ্রিক জীবনযাত্রার ভিত্তিতে পুনর্গঠন
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দীপাবলির পর দিল্লির AQI ৩৫৭-এ পৌঁছেছে, যা বৈজ্ঞানিকরা প্রাণীকুলের জন্য অত্যন্ত মারাত্মক হিসেবে গণ্য করে।


