ওড়িশায় বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে নিপীড়িত হতে হল এক বাঙালি যুবককে। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার থানার শীতলপুর গ্রামের বাসিন্দা মুস্তাফা আলী (২১) রোজগারের জন্য গিয়েছিলেন ওড়িশার বড়গড়ে। জানা গেছে, মুস্তাফা আলী সোমবার রাতে এক সহকর্মীকে রেলস্টেশনে ট্রেনে তুলে দিতে গিয়েছিলেন। সেই সময় মোবাইলে বাংলায় কথা বলছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন স্থানীয় যুবক এসে তাকে প্রশ্ন করে, তিনি বাঙালি কি না।
অভিযোগ, তাকে বাংলাদেশি সন্দেহে গালাগাল ও মারধর শুরু করে। মুস্তাফা আত্মরক্ষার জন্য রেলের টিকিট কাউন্টারের ভিতরে ঢোকেন, কিন্তু হামলাকারীরা তাঁকে টেনে বের করে এনে বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে এক বেসরকারি নার্সিংহোম হয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে তমলুক হাসপাতালে আনা হয়।
মুস্তাফার বাবা আলী রবিবুল অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের কোনো সাহায্য করেনি। তিনি বলেন, “এ রাজ্যে যদি কাজ থাকত, তাহলে ছেলেকে ভিন রাজ্যে পাঠাতে হতো না। এখন নিজের ভাষায় কথা বলাও অপরাধ হয়ে গেছে।”


