গাজায় চলমান সংঘাতের মাঝে ১৩ বছরের আব্দুর রহমান নামে এক বালকের করুণ গল্প সামনে এসেছে। তার বাবা তাকে রুটি কিনতে টাকা দিয়েছিলেন। ত্রাণ বিতরণ করতে থাকা ট্রাকের কাছে ভিড় দেখে সে ভেবেছিল, পরিবারের খাবার জন্য সামান্য রুটি ছাড়াও আরও কিছু সে আনতে পারবে। হঠাৎ গুলি শুরু হয়, একটি শেল তার পাশের খুঁটিতে আঘাত করে। শ্রাপনেল তার পেট ও পিঠে ঢুকে যায়।“আমার পেটের সাত স্তর কেটে খোলা হয়েছে। শ্রাপনেল এখনও শরীরে আছে, বের করা যায়নি। ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছি,” সে বলে। সকাল ছয়টা থেকে সে ব্যথার ওষুধ চাইছে, কিন্তু হাসপাতালে কিছুই নেই। ইসরায়েলি বাহিনী সাহায্য ও খাদ্য প্রবেশে বাধা দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করেছে। ইউনিসেফের জেমস এল্ডার বলেন, এই ঘটনা শুধু সাহায্য বিতরণের সমস্যাই নয়, চিকিৎসার অভাবও দেখায়। তিনি সীমান্ত খুলে দেওয়ার দাবি জানান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ৬১০ জন অপুষ্টিতে ভুগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, কিন্তু অনেকে হাসপাতালে পৌঁছাতেই পারেননি। গাজায় শিশুরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে, যা প্যালেস্টাইনে চলমান চরম মানবিক সংকটের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।
গাজার শিশুর কাতর আকুতি:“আমার শরীরে এখনও শ্রাপনেল আছে.. ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছি,..হাসপাতালে ওষুধ কিছুই নেই”
Popular Categories


