এনবিটিভি ডেস্ক : ভাঙড় বিধানসভার বিধায়ক নওশাদ সিদ্দীক সম্প্রতি বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানে অনভিপ্রেত ঘটনায় জড়িত দোষীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের আর্জি জানিয়ে বাংলাদেশের মাননীয়া প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান।
বিধায়ক নওশাদ সিদ্দীক এই পত্রে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাকে ভালোভাবে তদন্ত করে ও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরকে কঠোর থেকে কঠোরতম সাস্থির আর্জি জানিয়ে বলেন,”সম্প্রতি শারদোৎসবের সময় বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানে কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা দেখে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, পবিত্র কোরান শরীফকে অবমাননা ও হত্যাকান্ডের মতন ঘটনা ঘটে গেছে। পাশাপাশি আমরা এটাও লক্ষ্য করছি, আপনার নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর হাতে হিংসাকে দমন করতে পথে নেমেছে। এটা খুবই সন্তোষজনক বিষয়।

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর পক্ষ থেকে আপনাকে বিনীত অনুরোধ, সমস্ত ঘটনাগুলির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুন। সংখ্যালঘুদের পুজো মন্ডপ আক্রান্ত হয়েছে। আশাকরি, আপনার সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, দৃঢ় সংহতি ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে সামাজিক এবং ধর্মীয় ঐকতান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মৌলবাদী শক্তিগুলি পরস্পরকে উজ্জীবিত করে। আমাদের আশঙ্কা, এরা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সুতরাং, অনতিবিলম্বে অপরাধীদের সনাক্ত করে কঠোর সাজার ব্যবস্থা করুন।
বিধায়ক নওশাদ সিদ্দীক আরোও বলেন, আইএসএফ চাই ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো মজবুত হোক। দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি, প্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য এখানকার দেশগুলি কারুর আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিগুলি মেনে চলবে। প্রগতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈদেশিক নীতি এই অঞ্চলের স্থিতিশীল ভবিষ্যতের জন্য ভীষণ প্রয়োজনীয়”।
আশাকরি, আপনার সরকার এই মৌলবাদী শক্তিগুলির বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অবিচল থাকবে।
অবশেষে বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান মাননীয়া প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।