দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। পুলিশ আরও এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। বারুইপুর থানার বিশেষ দল এবং এসটিএফের যৌথ অভিযানে ওই ব্যক্তিকে ধরা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এর ফলে এই মামলায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে চার হয়েছে।
এদিকে, মামলার এক ধৃতকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমাজমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ধৃত আনন্দ সরকার অতীতে একটি ভোটকেন্দ্রে সিপিএমের পোলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিএম। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তির সঙ্গে দলের কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।
দলীয় সূত্রের দাবি, সংশ্লিষ্ট বুথে গত নির্বাচনে শাসকদল প্রায় ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। অন্য রাজনৈতিক দলগুলির প্রাপ্ত ভোট ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম। সিপিএম ওই বুথে মাত্র ২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ধৃত ব্যক্তিকে সিপিএমের সক্রিয় কর্মী বা প্রতিনিধি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা বাস্তব তথ্যের সঙ্গে মেলে না বলে দলের বক্তব্য।
নির্বাচনী মহলের একটি সূত্রের দাবি, ওই বুথে বিরোধী দলগুলির পক্ষে পোলিং এজেন্ট বসানো নিয়ে সমস্যা ছিল। বিরোধীরা সেখানে এজেন্ট দিতে পারেনি, অথবা এজেন্ট বসানোর ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়েছিল বলে আলোচনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নথি খতিয়ে দেখলেই প্রকৃত তথ্য স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে বাম শিবির।
অন্যদিকে, এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুকে ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালানো হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।


