ভাঙড়ের পরিচিত রাজনৈতিক মুখ আরাবুল ইসলাম আবার খবরের শিরোনামে। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হলেও এলাকার রাজনীতিতে তার প্রভাব এখনও কমেনি। তবে প্রায় তিন বছর ধরে তিনি বিধায়ক হিসেবে পেনশনের টাকা পাচ্ছিলেন না। সম্প্রতি বিষয়টি তার নজরে এলেই তিনি তৃণমূল পরিষদীয় দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাকে জানানো হয়, সমস্যাটি সরাসরি বিধানসভার পেনশন বিভাগে জানাতে। সে অনুযায়ী পদক্ষেপ করতেই সামনে আসে মূল কারণ।
বিধানসভা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সাল থেকে আরাবুলের ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা হয়নি। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে এই নথি জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এটি জমা না পড়ায় নিয়ম মেনে তার পেনশন বন্ধ হয়ে যায়। পরে তাকে পরামর্শ দেওয়া হয় দ্রুত সার্টিফিকেট জমা দিতে। নথি জমা পড়লেই তিন বছরে জমে থাকা সমস্ত বকেয়া টাকা দিয়ে পেনশন আবার চালু করা হবে।
মঙ্গলবার আরাবুল বিধানসভায় গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়েছেন। তার বক্তব্য, পেনশন সংক্রান্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি তার অফিস দেখত। সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার কথা তাকে জানানো হয়নি। বিধানসভার আধিকারিকরা বিষয়টি জানানোর পরই তিনি নথি জমা দিয়েছেন এবং শিগগির পেনশন চালু হবে বলে আশা করছেন।
বিধানসভা সূত্র জানায়, নতুন বছরের শুরুতেই তার বকেয়া মিটে যেতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী, একবার বিধায়ক নির্বাচিত হলে মাসে ১৪ হাজার টাকা পেনশন পাওয়া যায়। আরাবুল ২০০৬ সালে একবার ভাঙড় থেকে জিতেছিলেন। সেই অনুযায়ী তার বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকারও বেশি।


