বেরেলিতে “আই লাভ মুহাম্মদ” প্রচারকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন ইত্তেহাদ-এ-মিল্লাত কাউন্সিলের (আইএমসি) নেতা তাজিম। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি গুলি চালান, এরপর আত্মরক্ষায় পুলিশ তার পায়ে গুলি চালায়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার সকালে তাজিমের ঘনিষ্ঠ দুই সহযোগী, মোহাম্মদ ইদ্রিস ও ইকবালকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে, গত সপ্তাহে বেরেলিতে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভে তাজিমের ভূমিকা নিয়েই তাকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। ২৬ সেপ্টেম্বর আয়োজিত ওই বিক্ষোভ ছিল মুসলিম যুবকদের নামে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারের দাবিতে।
তাজিম আইএমসি প্রধান মৌলানা তৌকির রাজার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। রাজাকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে ১৪ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেছিলেন এফআইআর প্রত্যাহারের দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, পুলিশের এই অভিযানে বহু নিরপরাধ মুসলিম যুবক ও অপ্রাপ্তবয়স্ককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র মুসলিম পরিচয়ের কারণে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার আরও ১৭ জনকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনের বেশি। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালে তাদের কয়েকজন সদস্য আহত হন। তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, স্মারকলিপি জমা দিতে যাওয়া সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে পুলিশ লাঠিচার্জ করছে।


