উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরের গোঁয়াগাঁও-১ গ্রামের বাসিন্দা মুহাম্মদ জুনেদ আলম, হরিয়ানায় পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তবে এবার ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফের হরিয়ানায় ফিরে গিয়েই জীবন ওলট-পালট হয়ে যায় তার।
জুনেদ শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে হরিয়ানা পুলিশের চরম নির্যাতনের শিকার হন। জানা গিয়েছে ,পুলিশ তার ছবি সহ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তাকে বাংলাদেশি সন্দেহে তিন দিন আটক করে রাখে। এর মধ্যেই হাত-পা বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধরও করা হয় জুনেদকে। এমনকি তাকে বলপূর্বক স্বীকার করানো হয় যে সে বাংলাদেশি। এই অমানবিক নির্যাতনের ফলে তার একটি পা ভেঙে যায় বলে জানা গিয়েছে। এরপর মঙ্গলবার ট্রেনে করে বাড়ি ফেরেন জুনেদ। এই ঘটনার পর হরিয়ানায় থাকা অন্যান্য বাঙালি শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। জুনেদ জানান, হরিয়ানায় পুলিশের হেফাজতে তার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ সময় কেটেছে।


