কালীগঞ্জে বুধবার ভোরবেলায় শুরু হয় এক রাজনৈতিক প্রচার। সিপিএম-এর প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন দলীয় নেতা দেবাশিস আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলেন। প্রচারের সময় তাঁরা পলাশির একটি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছন। সেখানে বহু ছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। এরপরই শোনা যায় এক সন্তান হারা মায়ের ক্রন্দন।
এই সময় তামান্না নামের এক কিশোরীর প্রসঙ্গ উঠে আসে। তার মা আবেগে ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, মেয়ের ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে ওই স্কুলে পড়াশোনা করার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার কারণে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি। তাঁর কথায় গভীর কষ্টের ছাপ দেখা যায়। সাবিনা ইয়াসমিন এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই অন্যায়ের জন্য দায়ীদের শাস্তি হওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্যে আবেগ ও প্রতিবাদের সুর স্পষ্ট ছিল।
সেখানে উপস্থিত অন্য অভিভাবকরাও এই ঘটনার নিন্দা করেন। একজন স্কুল পড়ুয়ার মা বলেন, তাঁর মেয়ের নামও তামান্না, তাই এই ঘটনা তাঁকে আরও নাড়িয়ে দিয়েছে। সকলেই একসঙ্গে বিচার চেয়ে আওয়াজ তোলেন। পুরো ঘটনাটি এলাকায় গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও দুঃখের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


