ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে এবারের নির্বাচন বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই এলাকাকে অনেকেই ছোট্ট ভারতের প্রতিচ্ছবি বলছেন, কারণ এখানে নানা ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। রাজনৈতিক লড়াইও তাই বেশ তীব্র আকার নিয়েছে। এরই মধ্যে ভোটার তালিকা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে যেসব ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। মোট বাদ পড়া ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশেরও বেশি মুসলিম। যদিও এলাকায় মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় এক-পঞ্চমাংশের কাছাকাছি।
নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, ভবানীপুরে মোট ভোটারের সংখ্যা এক লক্ষের বেশি। তার আগে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় আরও বেশি নাম ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে যাচাই-বাছাইয়ের পর অনেক নাম বাদ দেওয়া হয়। কিছু নতুন নাম যুক্ত হলেও অনেক ভোটারকে ‘বিচারাধীন’ হিসেবেও রাখা হয়েছে।
এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রেও একই ধরনের চিত্র দেখা গিয়েছে। সেখানে বাদ পড়া ভোটারদের প্রায় অধিকাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, কি ভাবে মুসলিম সম্প্রদায়ের যোগ্য নাগরিকারা ভোটাধিকার ফিরে পাবেন? SIR শুরুর পূর্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবারে বলেছিলেন, “আমি বেঁচে থাকতে একটাও এস আই আর হতে দেবো না!” বর্তমানে নাম বাদ যাওয়া মানুষদের অধিকাংশ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন প্রতিশ্রুতিকে মিথ্যে বলে দাবি করছেন।


