বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে বিহার বিধানসভার ভোটগ্রহণ। মোট ২৪৩ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১৮টি জেলার ১২১ আসনে ভোট হবে। এই পর্বে ১৩১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মূল লড়াই শাসক এনডিএ জোট এবং বিরোধী ‘মহাগঠবন্ধন’-এর মধ্যে। প্রথম দফার ভোটে নজর থাকবে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর দিকে। রাঘোপুরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, মহুয়ার আসনে রয়েছেন তার ভাই তেজপ্রতাপ যাদব। অন্যদিকে, বিজেপির দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি ও বিজয়কুমার সিংহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারাপুর ও লখীসরাই থেকে। এই দফায় ভোট হবে পটনা, মুজফ্ফরপুর, বেগুসরাই, নালন্দা, সহরসা, সিওয়ান, গোপালগঞ্জ-সহ ১৮টি জেলায়।
প্রচারের শেষ দিনে প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গেছে দুই শিবিরেই। তেজস্বী যাদব ঘোষণা করেছেন, মহাগঠবন্ধন ক্ষমতায় এলে প্রতিটি পরিবারে একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি এবং মহিলাদের এককালীন ৩০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। অন্যদিকে, নীতীশ কুমার ও বিজেপি নেতৃত্ব তুলে ধরেছেন তাদের “উন্নয়নের রাজনীতি” ও “লালু যুগের জঙ্গলরাজ” থেকে মুক্তির গল্প। এনডিএ শিবিরে রয়েছে বিজেপি, জেডিইউ, চিরাগ পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি, জিতনরাম মাঁঝীর হাম এবং উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা। তবে এখনো নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি এনডিএ।
বিরোধী জোটে রয়েছে আরজেডি, কংগ্রেস, তিন বাম দল, মুকেশ সহানীর ভিআইপি এবং ইন্দ্রজিৎ গুপ্তের আইআইপি। সীমাঞ্চলে মিমের প্রভাব কিছুটা চিন্তার কারণ বিরোধী শিবিরের কাছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রথম দফায় ভোট দেবেন প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ ভোটার। দ্বিতীয় দফার ভোট ১১ নভেম্বর এবং গণনা ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।


