রাজ্যের সীমান্তবর্তী চারটি জেলায় চলমান এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কিষানগঞ্জ, পূর্ণিয়া, আরারিয়া ও কাটিহার জেলায় ভোটার তালিকা থেকে বহু ভোটার বাদ পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এলাকার মানুষ। এই অঞ্চলগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি বলে জানা গিয়েছে। কিষানগঞ্জে ৭০ শতাংশেরও বেশি জনসংখ্যা মুসলিম, আর বাকী জেলাগুলিতে ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ এবং পুরো বিহারে মুসলিম জনসংখ্যা মাত্র ১৭ শতাংশ।
বর্তমানে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের বিধায়ক শাহনওয়াজ আলম তার পৈতৃক গ্রাম সিসাউনায় সময় কাটাচ্ছেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের ভোটার আইডি ডকুমেন্ট আপলোডের ডেডলাইন রয়েছে। কিন্তু তার এলাকার ভোটাররা এখনও ৮০ শতাংশের কম নথি জমা দিয়েছে, যা উদ্বেগের কারণ। এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটারদের আবাসিক সার্টিফিকেট প্রয়োজন, যা নির্বাচন কমিশনের ১১টি নির্ধারিত নথির মধ্যে একটি। গত জুলাইয়ে শুধুমাত্র চার জেলায় মিলিয়নেরও বেশি আবাসিক সার্টিফিকেটের আবেদন জমা পড়েছে। তবে বিধায়ক শাহনওয়াজ আলম বলেন, “এখানের মানুষের কাছে আধার বা রেশন কার্ড ছাড়া অন্য কোনও নথি নেই, তাই এত আবেদনের চাপ।” তিনি আরও জানান, জকিহাট বিধানসভা আসনে অনেক ভোটারের কাছে দশম শ্রেণির সার্টিফিকেটও নেই। স্থানীয়রা বলছেন, আধার ও রেশন কার্ড জমা দেওয়ার অনুমতি না পেলে অনেক ভোটার, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সময়সীমা নিকটে আসায় সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, যথেষ্ট সময় না পেলে অনেক ভোটার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।


