আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। রবিবার বিজেপির হয়ে প্রচারে অংশ নিতে রাজ্যে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। একই দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও পৃথক জনসভায় বক্তব্য রাখেন।তবে যোগী আদিত্যনাথের এই সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ার সোনামুখী এবং পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে তাঁর সভায় একাধিক বিজেপি সমর্থককে বুলডোজার নিয়ে হাজির হতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনী মঞ্চে এই ধরনের প্রতীক ব্যবহার আসলে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা।সভা মঞ্চ থেকে যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যও বিতর্ক উসকে দেয়। তিনি অপরাধ দমনের প্রসঙ্গে কড়া ভাষা ব্যবহার করে ‘বুলডোজার’ প্রয়োগের কথা বলেন। বিরোধীদের দাবি, এ ধরনের মন্তব্য গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর ইঙ্গিত বহন করে। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে অতীতে যেভাবে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নামে বাড়িঘর ভাঙার অভিযোগ উঠেছে, তারই প্রতিফলন এই প্রচারে দেখা যাচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তবে বিরোধীদের প্রশ্ন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের বার্তা দিয়ে আসলে কী বোঝাতে চাইছে গেরুয়া শিবির? উল্লেখ্য, এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দুই দফায়। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১৫২টি এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট নেওয়া হবে। ফল প্রকাশ হবে ৪ মে।
রাজ্যে বুলডোজারের হুঙ্কারেই ভোট চাইছে বিজেপি! সভামঞ্চে যোগীর ‘পিষে ফেলার’ মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক
Popular Categories


