শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংগঠন করার লক্ষ্যে যেকোনো আন্দোলনের মূল চাবিকাঠি হল ‘ঐক্যবদ্ধতা’। এই ঐক্যতার নজিরবিহীন নিদর্শন দেখা গেল বুধবার কলকাতার রাজপথে। সারাদিন ধরে রোজা পালনের পর আন্দোলনকারীদের জন্য আয়োজন করা হলো ইফতারের। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় ইফতারে।
৪ তারিখ দুপুর ৩টে নাগাদ সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার স্বার্থে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংঘটিত করতে, পথে নামলো সিপিএম। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অজুহাতে পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক ভোটারদের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। আর কয়েক মাস বাদই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। এখনো বিচারাধীন ভোটারদের নাগরিকত্বের সঠিক বিচার বিবেচনা না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন করা যাবে না বলে দাবি করছে সিপিএম। তাই বুধবার দুপুর থেকে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশনের বাইরে অনির্দৃষ্টকালের জন্য ধরনায় বসলো সিপিএম। বর্তমানে রাজনৈতিক আবহে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও হিংসার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, ঠিক তখনই প্রতিভাত সভায় ইফতারের আয়োজন নিঃসন্দেহে সম্প্রীতির বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


