১৯৯৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কর্ণাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার ধর্মস্থলায় ঘটে চলেছে একের পর এক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা । জানা গিয়েছে নাবালিকা থেকে শুরু করে স্কুলছাত্রী ও তরুণীদের অপহরণ করে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। পরে তাদের দেহ মাটিচাপা বা পুড়িয়ে ফেলা হত।

সম্প্রতি ওই ধর্মস্থলার এক প্রাক্তন সাফাইকর্মী এই ভয়াবহ কাহিনি প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ধর্মস্থলা মন্দিরের কিছু কর্মী এসব অপরাধে জড়িত ছিল। তিনি বলেন, “মন্দিরের লোকেরা মেয়েদের ধর্ষণ করে হত্যা করত। আমাকে তাদের দেহ গোপনে মাটিচাপা দিতে হতো। বেশিরভাগ দেহেই কোনো পোশাক থাকতো না।” ২০১০ সালে ১২-১৫ বছর বয়সি এক স্কুলছাত্রীর দেহ মাটিচাপা দিতে হয়েছিল।

এই সাফাইকর্মী সম্প্রতি পুলিশকে সব তথ্য দিয়েছেন। তিনি চান, যেসব জায়গায় দেহ পুঁতে রাখা হয়েছে, সেখানে খনন করে তদন্ত হোক। তিনি বলেন, “১১ বছর আগে মন্দিরের লোকেরা আমার পরিবারের এক মেয়ের ওপর অত্যাচার করেছিল। তখন আমি পালিয়ে অন্য রাজ্যে লুকিয়ে থাকতাম।”


