বারুইপুরে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু নিয়ে রাজ্যজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই পুলিশের পদক্ষেপ এবং রাজ্য সরকারের দ্রুত ব্যবস্থার প্রশংসা করলেও, একাংশ এই ঘটনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
বাম নেতা ও আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য-সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি দাবি করেছেন, ঘটনার সব দিক সামনে আসা উচিত। তাঁদের আশঙ্কা, প্রকৃত সত্য আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ কড়া ভাষায় সমালোচকদের আক্রমণ করেন। বৃহস্পতিবার কলকাতার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের সময় তিনি বলেন, কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সবসময় অপরাধীদের পক্ষেই কথা বলেন। তাঁর অভিযোগ, এই মানসিকতার জন্যই সমাজে অপরাধ বাড়ছে। এমনকি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ডিম ছোড়ার মতো মন্তব্যও করেন।
তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই ধরনের মন্তব্যকে সমর্থন করেননি। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের আচরণ বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়।
বারুইপুরের ঘটনা সামনে আসার পরই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়। দ্রুত চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মঙ্গলবার রাতে পুলিশের এনকাউন্টারে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়।
প্রভাসের পরিবারের সদস্যরাও জানিয়েছেন, অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হয়। অন্যদিকে, কামদুনি ও হাঁসখালির নির্যাতিতাদের পরিবারের কয়েকজনও এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন। তবে সমাজের আরেক অংশের দাবি, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে সব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়।


