কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরি বুধবার সংসদে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তাঁর নামকে এপস্টিন সংক্রান্ত নথির সঙ্গে যুক্ত করে প্রশ্ন তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুরি স্পষ্ট জানান, তিনি কোনও বেআইনি কাজে জড়িত নন। তাঁর বক্তব্য, প্রয়াত জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল মাত্র তিন বা চারবার, তার বেশি নয়।
পুরি বলেন, তাঁর পক্ষ থেকে যে ই-মেল পাঠানো হয়েছিল, তা ছিল ‘Linkedin’-এর প্রতিষ্ঠাতা রিড হফম্যানকে নিয়ে ভারতের ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে। এপস্টিনের সঙ্গে তাঁর মোট একবারই ই-মেল আদানপ্রদান হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি আরও জানান, ২০০৯ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া থেকে ২০১৭ সালে মন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত সময়ের বিপুল ই-মেল প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কেবল কয়েকটি বৈঠকের উল্লেখ আছে এবং সব যোগাযোগই ছিল পেশাগত ও আন্তর্জাতিক কাজের স্বার্থে।
এদিকে ভারত এবং আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে বিপদে পড়বে ভারতের অসহায় দরিদ্র কৃষকরা। আমেরিকার থেকে কৃষিজাত পণ্য বাধ্যতামশত আমদানি করতে হবে ভারতকে। যার ফল স্বরূপ কৃষিজাত পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তাই নয় অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন এতে ভারতের কৃষকরা ফসলের যোগ্য মূল্য পাবে না। কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সহ একাধিক রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, এপস্টিন যৌন কেলেঙ্কারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিজেপির অন্যান্য নেতা মন্ত্রীদের নাম যাতে সামনে না চলে আসে তার জন্য মোদি দেশের অসহায় দরিদ্র কৃষকদের বাজি রেখে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত করছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, ‘মোদি মহান মানুষ। আমি তার পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই না।’ প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করে ঠিক কি ইঙ্গিত দিতে চাইলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট? এ নিয়ে এখন ভারতের জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। খবর পাওয়া যাচ্ছে, ইতিমধ্যে এপস্টিন যৌন কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত নথি থেকে ৩০ টির বেশি ভারতীয় ফাইল উধাও হয়েছে। আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর ফাইল উধাও হওয়ার ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ, নাকি পুরোটাই কাকতালীয়? তা আল্লাহ জানেন। নরেন্দ্র মোদী এবং তার দলের নেতা মন্ত্রীদের আয়াশির জন্য, পেটে লাথি পড়ছে ভারতের দরিদ্র অসহায় মানুষদের, বিরোধীদের এই ধারণাকে কি খণ্ডন করতে পারবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও, বিজেপি নেতারা? প্রশ্ন নানান মহলে।


