খড়গপুর আইআইটিতে একের পর এক ছাত্র আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়। বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ জানতে চান,খড়গপুর আইআইটিতে এত ছাত্র আত্মঘাতী হওয়ার কারণ। আদালতে খড়গপুর আইআইটি-র আইনজীবী জানান, বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ চিন্তিত এবং উদ্যোগও নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১০ জন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি হয়েছে। এছাড়া একটি কাউন্সেলিং সেন্টার চালু হয়েছে, যেখানে মানসিক অবসাদে ভোগা ছাত্রদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাদের জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে, যেখানে ছাত্ররা যেকোনো সময় ফোন করে সাহায্য চাইতে পারেন বলে জানায়।
সাম্প্রতিক একটি আত্মহত্যার ঘটনার পর পুলিশে এফআইআর করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। শুধু খড়গপুর নয়, শারদা ইউনিভার্সিটিতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলাটি গ্রহণ করেছে। এইদিন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিচারপতিরা জানান, শারদা ইউনিভার্সিটির ঘটনায় ছাত্রের বাবা অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং তদন্ত চলছে। খড়গপুর আইআইটির ক্ষেত্রেও ম্যানেজমেন্ট দ্রুত পুলিশকে জানায়। আদালত বলেছে, দুই জায়গাতেই তদন্ত চলুক, কিন্তু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় আরও কঠোর পদক্ষেপ দরকার।


