ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার দাম লাগাতার কমছে। বছরের শুরু থেকে নভেম্বর পর্যন্ত টাকার মান নেমে গেছে প্রায় ৪ শতাংশেরও বেশি, যা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল হিসাবে ধরা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি ও বাণিজ্য নীতিগত টানাপোড়েন এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর এক ডলারের দাম প্রায় ৮৯ টাকা ছুঁয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের মধ্যে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে দায়ী করছে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান ও চিনের মুদ্রা তুলনামূলক ভাবে প্রভাবশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে ভারতসহ বাংলাদেশ, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের মুদ্রা বড় ক্ষতির মুখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শুল্কনীতির কারণে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা উল্লেখযোগ্য ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমায় রিজার্ভ ব্যাংকে ডলারের প্রবাহও কমেছে ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেনে টাকার চাপ আরও বেড়েছে। ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর রিজার্ভ ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে টাকার স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। সুদের হারে কোনো পরিবর্তন আনা হবে কি না, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আর্থিক মহল।


