আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আজ রাজ্য বিধানসভায় পেশ হতে চলেছে অন্তর্বর্তী বাজেট বা ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এই বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নির্বাচনের আগে সরকারের আর্থিক পরিকল্পনা কী হতে পারে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির দিকে। বিশেষ করে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর অনুদান বৃদ্ধি পাবে কি না, তা নিয়ে উপভোক্তাদের কৌতূহল তুঙ্গে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনাও চলছে। গত কয়েক বছরে বাজেটের সময়ই ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে এবারও তেমন কিছু ঘোষণা আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে কর্মচারীরা।
এদিনই ডিএ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণা হয়েছে। ফলে আদালতের সিদ্ধান্ত এবং বাজেট, দুটি বিষয় মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আদালতের নির্দেশের প্রভাব বাজেটে পড়বে কি না, তা নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। এছাড়া আশা কর্মী ও অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য নতুন সুবিধা ঘোষণা হতে পারে কি না , সেই নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সামাজিক খাতে বরাদ্দ বাড়ানো বা নতুন প্রকল্প চালুর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এদিকে, বিরোধীরা দাবি করছে, কর্মচারীদের প্রাপ্য দ্রুত মেটানো উচিত। আজকের অধিবেশনের প্রথম ভাগে রাজ্যপালের ভাষণ থাকবে। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করবেন। নির্বাচনমুখী এই বাজেটে সরকারের কোন বার্তা সামনে আসে, সেটাই এখন দেখার।


