
রোববার সকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেয়েদ আব্বাস আরাঘচি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে জাতিসংঘের সনদ ও এনপিটি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই হামলাকে “অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অপরাধমূলক” বলে সমালোচনা করেন এবং ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকারের কথা জানান। বিশ্বনেতারা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এটিকে “উত্তেজনা বৃদ্ধিকারী” বলে শান্তির আহ্বান জানান। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ডিয়াজ-ক্যানেল এই আগ্রাসনকে “মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিপদজনক ধাপ” হিসেবে নিন্দা করেন।
ইরানের পারমাণবিক সংস্থা জানায়, ফরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের স্থাপনায় হামলা হয়েছে, যা আইএইএ-এর তত্ত্বাবধানে ছিল। তারা এই হামলার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দায়ী করেন। মার্কিন কংগ্রেসের কিছু সদস্যও এর বিরোধিতা করেছেন। সিনেটর চাক শুমার যুদ্ধ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের দাবি জানান, আর ইলহান ওমর এটিকে “অযথা উত্তেজনা” বলে সমালোচনা করেন। এ ঘটনা বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।


