স্কুলপড়ুয়াদের মিড-ডে মিল প্রকল্পে নতুন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি উঠছিল বিভিন্ন মহল থেকে। এবারের বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে, কলকাতা পুর এলাকার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের খাবার সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ইসকনের মাধ্যমে রান্না করা স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্পন্ন খাবার পড়ুয়াদের দেওয়া হবে।
তবে এই ঘোষণার পর থেকেই খাবারের ধরন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ইসকন খাবার সরবরাহ করলে কি স্কুলে নিরামিষ মেনুই চালু হবে? ইসকনের কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, তাঁদের সংস্থার নিজস্ব খাদ্যনীতি অনুসারেই খাবার পরিবেশন করা হবে। তাঁর কথায়, ডিমের পরিবর্তে সয়াবিন, রাজমা এবং অন্যান্য উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি ডাল, শাকসবজি ও ভাতের সমন্বয়ে পুষ্টিকর খাবার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কিছুদিন ধরে ডিমের দাম বৃদ্ধির কারণে বহু স্কুলে নিয়মিত ডিম সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। অনেক স্কুল সপ্তাহে নির্ধারিত সংখ্যক দিন ডিম দিতে পারেনি। সেই পরিস্থিতিতে বিকল্প প্রোটিনের উৎস হিসেবে সয়াবিন বা রাজমার ব্যবহারকে অনেকেই বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। অন্যদিকে, বাংলার ছাত্রছাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে ডিম-ভাত বা ডিমের ঝোলের সঙ্গে পরিচিত। তাই নতুন ধরনের খাবার তারা কতটা গ্রহণ করবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।


