দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের একদিন পরই কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন দুই সাংসদ আবু তাহের খান ও খলিলুর রহমান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন না সাংসদ ইউসুফ পাঠান। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আয়োজিত প্রাতঃরাশের বৈঠকে মুর্শিদাবাদের এই তিন সাংসদকে দেখা যায়। এর আগে এনডিএ সাংসদদের একটি বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তিন সাংসদ কোন শিবিরে থাকবেন, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও তাঁদের সাক্ষাৎ হয়।
শনিবার কলকাতায় এসে আবু তাহের ও খলিলুর রহমান মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আবু তাহের খান জানান, রাজ্যে এসআইআরের প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া মানুষের সমস্যা নিয়ে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ লক্ষ ব্যক্তি নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেছেন। তাঁদের আবেদন সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ার সময় বাড়ানোর দাবি জানানো হবে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ সমস্যার মধ্যে রয়েছেন বলেও তিনি জানান। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা।
এই সমস্যা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন আবু তাহের। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা সমস্যায় পড়েছেন, তাঁদের পাশে থেকে আইনি লড়াই চালানো হবে এবং আবেদন করার সুযোগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে। দুই সাংসদের এই তৎপরতায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।


