বৃহস্পতিবার একটি ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, রাস্তার কাজের বোর্ডে সময়কাল হিসেবে ২৮ জুন থেকে ২০ জুলাই লেখা রয়েছে। খরচ দেখানো হয়েছে ৫ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের রাজাভাতখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার জয়ন্তী নদীর উপর কোনও টেন্ডার ছাড়াই রাস্তা তৈরি নিয়ে অভিযোগ সামনে আসে।
জেলা পরিষদের তরফে এই বিষয়ে সাফাই দিয়ে বলে, প্রতি বছর শিব চতুর্দশীতে জয়ন্তী নদীর উপর অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করা হয়। বর্ষায় নদীর জলে সেই রাস্তা ভেসে যায়। ফেব্রুয়ারি মাসে শিব চতুর্দশীর সময় জয়ন্তী মহাকাল মন্দিরে যাওয়ার জন্য বহু পুণ্যার্থীর ভিড় হয়। তাঁদের যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে তাড়াহুড়ো করে নদীর উপর অস্থায়ী রাস্তা বানানো হয়েছিল। জরুরি কাজ হওয়ায় পরে টেন্ডার করা হয়। এখনও ওই কাজের টাকা মেটানো হয়নি বলেও জানিয়েছে পরিষদ।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব জানান, শিব চতুর্দশীর সময় পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্যই কাজটি করা হয়েছিল। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রমেশ মিঞ্জের বক্তব্য, জরুরি পরিস্থিতিতে কিছু কাজ দ্রুত করতে হয়। এই রাস্তার ক্ষেত্রেও সেটিই হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, ফেব্রুয়ারিতে কাজ হলে বোর্ডে জুন-জুলাইয়ের তারিখ কেন? ওই সময়ে নদীতে জলও থাকে। তাহলে কাজটি কখন করা হয়েছিল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।


