গাজা উপত্যকা এখন যেন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইসরাইলি আগ্রাসনে প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত ফিলিস্তিনি। বিশেষ করে রাফাহ এলাকার বাসিন্দাদের ক্যাম্পে রেখে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে ইসরাইল। পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে তৈরি করা হবে নতুন শহর যেখানে ইসরায়েলি বসতি, নাইটক্লাব আর আধুনিক শহরের অবকাঠামো গড়ে তোলার চিন্তা করছেন নেতানিয়াহু। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা সামাল দিতে ইসরাইল কিছু এলাকায় কৌশলগত বিরতি ঘোষণা করেছে।
জানা গিয়েছে , প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আল-মাওয়াসি, দেইর আল-বালাহ ও গাজা শহরের কিছু অংশে সাময়িক যুদ্ধ বিরতি থাকবে। তবে এই ঘোষণা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেক মানবিক সহায়তাকর্মী। এদিকে গত শনিবার ইসরাইলি হামলায় ৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন, যাদের অনেকেই ত্রাণ কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। একই দিনে ফ্রিডম ফ্লোটিলার একটি ত্রাণবাহী জাহাজও ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। গাজায় খাবারের তীব্র সংকট ও মানবিক বিপর্যয় দিন দিন আরও বাড়ছে।


