মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কুখ্যাত ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের যৌন কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্তকে ঘিরে স্বচ্ছতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি এই সব নথি সাধারণ মানুষের সামনে আনে। এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রকাশিত নথিগুলির মধ্যে ছিল বিপুল পরিমাণ ই-মেল, ছবি এবং ভিডিও। সূত্রের দাবি, প্রায় দু’হাজার আপত্তিকর ভিডিও এবং লক্ষাধিক ছবি সামনে এসেছে। পাশাপাশি উঠে এসেছে বহু প্রভাবশালী ও পরিচিত ব্যক্তির নাম, যাঁদের সঙ্গে এপস্টেইনের যোগাযোগ ছিল বলে উল্লেখ রয়েছে। এই তালিকায় আমেরিকার পাশাপাশি ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের নামী ব্যক্তিত্বদের নাম থাকায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তালিকায় প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, রাজপরিবারের সদস্য, বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও প্রযুক্তি সংস্থার কর্তার নাম থাকায় মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর নড়েচড়ে বসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাম নথি থেকে বাদ দিতে। এরপর দ্রুত সমস্ত ফাইল বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই ঘটনায় অন্যতম আলোচিত নাম প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এলন মাস্ক। তিনি প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, এপস্টেইন তাঁকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তিনি তা মেনে নেননি। ই-মেল যোগাযোগের কারণেই তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে জানান মাস্ক। তবে যাঁদের নাম সরানো হয়েছে, তাঁদের অনেকেই এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি। ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের যৌন কেলেঙ্কারি ঘটনায় নাম জড়িয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত ফুটবলার মেসির। অপর দিকে নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম থাকার দাবি নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একটি ই-মেলে তাঁর নাম ও পদবির উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করছে কিছু সংবাদ মাধ্যম। নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ইতিমধ্যে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যার সত্যতা যাচাই করেনি এনবিটিভি।


