উত্তরপ্রদেশের কানপুর দেহাতের আকবরপুর মেডিক্যাল কলেজে এক সাত মাসের মুসলিম অন্তঃসত্ত্বা মহিলার উপর সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোরগোল তুলেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন রুখসার। সেখানে এক কর্মচারী রোহিত যাদব তার কাছে অবৈধভাবে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রোহিত ক্ষুব্ধ হয়ে রুখসারকে এবং তার স্বামী উসমানকে হেনস্থা করেন।
রুখসার জানায়, ‘আমরা গরিব, তাই টাকা দিতে পারিনি। সেই অস্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায় আমাকে ও আমার স্বামীকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। আমার পেটে লাথি মেরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়।’ তিনি জানান, প্রায় দশ মিনিট ধরে তিনি পড়ে ছিলেন কিন্তু কেউ সাহায্যের জন্য আসেনি। এই ঘটনায় তার মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি হয়েছে।
পরিস্থিতি দেখে হাসপাতালের অন্যান্য রোগী ও স্বজনরা নীরব দর্শক হয়ে থাকেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর রুখসার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগের পর পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিমন্ত্রী প্রতিভা শুক্লা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং রুখসারের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুতর এবং যথাযথ তদন্ত করা হবে। পুলিশও ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনার ফলে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা ও রোগীর প্রতি আচরণের বিষয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।


