ইরানে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনেই-এর মৃত্যুকে ঘিরে। রবিবার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, এই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার, যখন তিনি নিজের কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। আমেরিকা ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই খবরে বিশ্বজুড়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পাকিস্তান ও ইরাক-সহ একাধিক দেশে মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কনসুলেটের সামনে উত্তেজিত জনতা হামলা চালায়। সংঘর্ষে অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।ভারতের বিভিন্ন জায়গাতেও প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। শ্রীনগর-এর ঐতিহাসিক লালচকে বড় ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে মানুষ সমাবেশ করেন। এছাড়া বদগাঁও, বান্দিপোরা, অনন্তনাগ ও পুলওয়ামাতেও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। লখনউ-এ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল বোর্ড বড় কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিন দিন শোক পালন করা হবে। অনেকেই কালো পোশাক পরবেন এবং ঘরে কালো পতাকা তুলবেন। এদিকে ওমর আবদুল্লা শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শোক প্রকাশের অধিকার সবার আছে, তবে তা যেন শান্তিপূর্ণ হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সংযত আচরণ করার পরামর্শও দেন তিনি।


