হুগলির কোতরঙ ধাড়সা প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো একটি জনপদ। বহু আগে সুফি সাধক গাজী আব্দুল সাহেব এখানে এসে মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেন। সেই সময় থেকেই এলাকায় মিলেমিশে থাকার পরিবেশ গড়ে ওঠে। এখনো বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছেন।রবিবার ধাড়সায় জনসংযোগ ও গণ-অনুদান সংগ্রহের কর্মসূচি করেন সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যা মীনাক্ষী মুখার্জি। সিপিএম-এর কোতরঙ-হিন্দমোটর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান হয়। ধাড়সা উত্তরপাড়া বিধানসভার ১০১ নম্বর বুথের অন্তর্গত। অভিযোগ উড়ছে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি ব্যবস্থার অবস্থা খারাপ। অনেক জায়গায় ড্রেন এখনও কাঁচা রয়ে গেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা আসমা বেগম অভিযোগ করেন, বহুবার জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।এলাকার মানুষ জানান, এখানে বড় কবরস্থানের অভাব রয়েছে। জনসংখ্যা বাড়ায় সমস্যাও বাড়ছে। একসময় এই অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জেলার প্রাচীন মাদ্রাসাগুলির একটি, দেদার বক্স মাদ্রাসা, যার বয়স একশো বছরের বেশি। বর্তমানে সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে।
মীনাক্ষী মুখার্জি বলেন, সম্প্রীতি বাংলার শক্তি। কিন্তু বর্তমান শাসকদলের উদাসীনতায় সাধারণ মানুষের মৌলিক পরিষেবার ঘাটতি স্পষ্ট। তিনি জানান, নাগরিক সুবিধা সকলের অধিকার এবং সেই দাবিতেই মানুষের পাশে রয়েছেন তাঁরা। সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে জনসাধারণের কাছে নিজেদেরকে নির্ভরযোগ্য করে তুলতে মরিয়া বাম শিবির। সাম্প্রতিক এককালীন সিপিএমের তরুণ মুখ প্রতিক-উর রহমান নির্বাচনের ঠিক আগে দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এই ধাক্কাকে দূরে সরিয়ে রেখে বর্তমানে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে মেন ফোকাসে রাখতে চাইছে বামেরা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ‘শূন্য’-এর অপবাদ কি মুছতে পারবে সিপিএম? প্রশ্ন নানান মহলে।


