২০১৯ সালের আগস্ট- এ ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে জম্মু–কাশ্মীরকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করেছিল কেন্দ্র। তখন বলা হয়েছিল এটি সাময়িক ব্যবস্থা, রাজ্যের মর্যাদা ফিরবে শিগগিরই। কিন্তু ছয় বছর কেটে গেলেও লাদাখকে রাজ্যের স্বীকৃতি না দেওয়ায় ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে।

এই হতাশা থেকেই শুরু সোনম ওয়াংচুকের টানা অনশন, যা আজ জনআন্দোলনের রূপ নিয়েছে। অনশনে অংশ নেওয়া দু’জন অসুস্থ হয়ে পড়তেই পরিস্থিতি বিস্ফোরক হয়। লেহ্ শহরে বিক্ষোভকারীরা বিজেপির কার্যালয় ঘেরাও করে, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়, গাড়িতে আগুন ধরানো হয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের হিংসাত্মক মোড় নেওয়া স্পষ্ট করে দিচ্ছে—মানুষের ধৈর্য শেষের পথে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বৈঠকের আশ্বাস দিলেও লাদাখের প্রতিনিধি সংগঠনগুলির অভিযোগ, তাঁদের মূল দাবি যেমন ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তি কিংবা পূর্ণ রাজ্যের স্বীকৃতি, তা বারবার উপেক্ষা করা হচ্ছে। ফলে এই আন্দোলন এখন আর কেবল রাজনৈতিক নয়—এটি লাদাখের অস্তিত্ব ও পরিচয়ের প্রশ্নে রূপ নিচ্ছে। দিল্লি যদি দ্রুত সমাধানের পথে না হাঁটে, তবে পাহাড়ি এই অঞ্চল আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠতে পারে।


