জন্ম শংসাপত্র ডিজিটালাইজ করার জন্য পঞ্চায়েতে এসে চরম সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নম্বর ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে এমনই এক ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, অনেকেই আগে পঞ্চায়েত থেকে হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্র পেয়েছেন। এখন সেই শংসাপত্র ডিজিটাল ফর্মে নেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে বিভিন্ন সরকারি কাজে। কিন্তু ডিজিটাল করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, পুরনো রেজিস্টার খাতায় অনেক শংসাপত্রের রেজিস্ট্রেশন নম্বরই নেই। ফলে মাসের পর মাস ধরে মানুষ পঞ্চায়েত অফিসে ঘুরে ফিরে সময় নষ্ট করছেন।
এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার পঞ্চায়েত অফিসে হাজির হয়ে সহায়ক সঞ্জয় কুমার সাহাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বহু মানুষ। তাদের দাবি, পঞ্চায়েত থেকেই যখন শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল, তখন কেন রেজিস্টারে নাম নেই কেনো। এখন স্কুল-কলেজে ভর্তি, আধার, প্যান, এমনকি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে আবেদন করতেও ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র জরুরি।


