মালদার সাহাপুর গ্রামে এক বেসরকারি সংস্থার কর্মী প্রসেনজিৎ দে দাস ও তার পরিবারের ওপর দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, মন্দিরের প্রাঙ্গণে জুয়া খেলতে বাধা দেওয়ায় ওই কর্মীকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের মারধর ও ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে এলাকার একটি মন্দিরে কাজ চলছিল, সেখানে কিছু দুষ্কৃতী জুয়া খেলছিলো। প্রসেনজিৎ তাদের জুয়ার আসর বন্ধ করতে চেষ্টা করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে রাতের বেলা দুষ্কৃতীরা লাঠি ও হাসুয়া নিয়ে প্রসেনজিতের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। বাড়ির দুটো মোটর বাইক ভাঙচুর করা হয় এবং দরজা ভেঙে দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দুষ্কৃতীরা প্রসেনজিতের স্ত্রীকে মারধর করে, শ্লীলতাহানি করে এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে। এছাড়া তার গলায় থাকা সোনার চেন ছিনিয়ে নেয়। এমনকি বাড়ির বৃদ্ধা মাকেও মারধর করে এবং তার গলার সোনার মালা ছিনিয়ে নেয় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনা ঘটার পর থেকে প্রসেনজিৎ দে দাস ও তার পরিবার ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। তারা মালদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে।


