দিঘার পর এবার শিলিগুড়িতে তৈরি হতে চলেছে মহাকাল মন্দির। উত্তরবঙ্গ সফর শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার দার্জিলিঙের ম্যালে মহাকাল মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, সমতলেও একটি বড় মহাকাল মন্দির গড়ে তুলতে চান তিনি। শিলিগুড়ির আশেপাশে জমি খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসনকে। এই মন্দিরে থাকবে রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিবমূর্তি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত পরিকল্পনার স্তরে রয়েছে এই প্রকল্প, তবে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে চান তিনি। দিঘার জগন্নাথধাম-এর মতোই একটি ট্রাস্ট তৈরি করে এই মহাকাল মন্দির নির্মাণের কাজ হবে। একইসঙ্গে শিলিগুড়িতে একটি কনভেনশন সেন্টার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর এমন কার্যকলাপে তীব্র কটাক্ষ করছে বিরোধীরা। বিরোধীদের দাবি মন্দির নির্মাণ করে আরও বেশি করে ধর্মীয় রাজনীতিকে উস্কে দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম সারির এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজ্যের এক মন্ত্রী বলেন, “মুসলিম ভোট আমাদের ফিক্সড ডিপোজ়িট করা আছে। কারেন্ট অ্যাকাউন্টের ভোটটা ঠিকঠাক রাখতে পারলেই চিন্তা নেই|” এই মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে এখন প্রশ্ন ওঠে, তবে কি হিন্দু ভোটকে আরো বেশি করে সুনিশ্চিত করতে চাইছে তৃণমূল সরকার? রাজ্যে প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে হেনস্থা এবং অপমানের শিকার হতে হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ উদাসীন প্রশাসন। এমন আবহে কিভাবে, মুসলিম ভোট নিয়ে এত বেশি আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেস?


