কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন বাজেট ঘোষণার পর সংখ্যালঘু মহলে ফের অসন্তোষের সুর শোনা যাচ্ছে। রবিবার সংসদে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দেশের তৃতীয় মোদি সরকারের তৃতীয় বাজেট পেশ করেন। সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য মোট ৩,৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এই অঙ্ক বেড়েছে মাত্র ৫০ কোটি টাকা। এত সামান্য বৃদ্ধি বাস্তবে তেমন কোনও প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করছেন অনেকেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা দেশের সংখ্যালঘুদের জন্য কেন্দ্র যে অর্থ রেখেছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। দেশের ২৮টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিস্তৃত বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য এই বরাদ্দ যথেষ্ট নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় নতুন বাজেট পেশ করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।
কেন্দ্রীয় বরাদ্দের একটি বড় অংশ ‘প্রধানমন্ত্রী জনবিকাশ কর্মসূচি’ প্রকল্পে ব্যয় হয়। এই প্রকল্পের আওতায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় স্কুল, ছাত্রাবাস ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরির কাজ করা হয়। চলতি বছরে এই খাতে রাখা হয়েছে প্রায় ১,৯১৪ কোটি টাকা। তবে শিক্ষাবিষয়ক প্রকল্পে বরাদ্দ কমেছে বলেই জানা গেছে। গত বছর যেখানে কয়েকশো কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, তার আগের বছরে সেই অঙ্ক ছিল আরও বেশি। সব মিলিয়ে কেন্দ্রের এই সীমিত বরাদ্দে সংখ্যালঘু সমাজের সার্বিক উন্নয়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।


