পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছে। একের পর এক হামলা ও পাল্টা আঘাতে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। অভিযোগ উঠেছে, ইরান ইজরায়েলের আবাসিক এলাকায় আক্রমণ চালিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবির পোর্ট জায়েদ এলাকায় বিস্ফোরণের পর ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যৌথভাবে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনেইও প্রাণ হারিয়েছেন, এমনই খবর পাওয়া যাচ্ছে প্রথম শাড়ির একটি সংবাদমাধ্যম মারফত। রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ভবিষ্যতে নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন মোজতবাই।
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই ইরানে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। তেহরান আগেই প্রতিশোধের বার্তা দিয়েছিল। তার পর থেকেই ইরান একাধিক জায়গায় হামলা শুরু করেছে। জানা গেছে, দুবাই, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাহরিন ও কাতারের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা হয়েছে। বাহরিনে মার্কিন রাডার ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। কুয়েতে হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে।
অন্যদিকে, লেবাননের রাজধানী বেইরুটেও বিমান থেকে বোমা ফেলে ইজরায়েল। ইজরায়েলের দাবি, লেবাননের সংগঠন হিজবুল্লাহ আগে হামলা চালিয়েছিল, তার জবাবেই এই পদক্ষেপ। একই সময়ে ইরান ইজরায়েলের অস্ত্রভাণ্ডারে আঘাত করেছে বলেও জানা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, হামলা বন্ধ না করলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তিনি ইরানি সেনাবাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান।


