মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে তেখরি হাজিপাড়ার বাসিন্দা ফতেমা খাতুনের রহস্যময় মৃত্যু নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে রবিবার এক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে ফতেমার মৃতদেহ তুলে পাঠানো হল কল্যাণীর এইমস হাসপাতালে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য। জানা গেছে, প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে, ২৯ এপ্রিল, ফতেমার ঝুলন্ত দেহ তার শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হলেও, মৃতার বাড়ির লোকজন অভিযোগ তোলেন যে ফতেমাকে খুন করে পরে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। তাদের দাবি, এই ঘটনায় ফতেমার স্বামী এজাজ আহমেদ এবং শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যরা জড়িত।
তারা এই অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন এবং নতুন করে ময়নাতদন্তের দাবি জানান। আদালত ২৫ আগস্টের মধ্যে কবর থেকে মৃতদেহ তুলে পুনরায় ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এদিন রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ তোলা হয়। মৃতার স্বামী এজাজ আহমেদও ঘটনাস্থলে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ পাঠানো হয় কল্যাণীর এইমস হাসপাতালে। সেখানে এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করা হবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।


