কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দাবি, ২০১৭ সালে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) গঠনের পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কোনও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। তবে পরীক্ষায় অনিয়ম ও নানা ধরনের সমস্যার ঘটনা ঘটেছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানানো হয়েছে।
যদিও সরকার সরাসরি প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেনি, এনটিএ জানিয়েছে, এমন ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে কাগজে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি। কম্পিউটারভিত্তিক পরীক্ষায় (সিবিটি) তা তুলনামূলকভাবে কম।
এনটিএ নিয়ে একাধিক অভিযোগের পর সংস্থার আধিকারিক এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। কংগ্রেস সাংসদ মুকুল ওয়াসনিকের নেতৃত্বে তৈরি কমিটির রিপোর্টটি বিজেপি সদস্যদের আপত্তি সত্ত্বেও গৃহীত হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের দূরের কেন্দ্রে যেতে না হয়, সে জন্য প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি করে পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে। বেসরকারি কেন্দ্রের বদলে সরকারি কেন্দ্র তৈরিতে এনটিএর অতিরিক্ত আয় থেকে ৫৯০ কোটি টাকা ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।
এছাড়া, গ্রামাঞ্চলে ইন্টারনেট ও পরিকাঠামোর সমস্যার কারণে সিবিটি চালু করা কঠিন হলেও ধীরে ধীরে এই পদ্ধতিতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।
প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বাড়াতে প্রতি বছর নতুন করে প্রশ্ন তৈরির বদলে আইআইটি, আইআইএম ও এইমসের মতো প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি স্থায়ী ‘প্রশ্নভাণ্ডার’ তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছে কমিটি।


