মুর্শিদাবাদের লালগোলা ব্লকের বিলবোরা ও লালগোলা গ্রামপঞ্চায়েত এখন পদ্মার ভাঙনের চাপে ভয়ানক সমস্যায় পড়েছে। আখেরিগঞ্জ ও সামশেরগঞ্জের পর এবার লালগোলারও অনেকটা অংশ নদীর গর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গত বছর থেকে এই অঞ্চলের বিলবোরা, কোপরা, ও তারানগর এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। এই তারানগর থেকেই অসিকুল ইসলাম নামক এক সিভিক ভলেন্টিয়ার নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যান। আজও তার দেহ পাওয়া যায়নি এবং পরিবারও এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি সাহায্য পায়নি।
এছাড়া সেখালিপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতিমধ্যেই পদ্মায় তলিয়ে গেছে। মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। শত শত বিঘে কৃষিজমিও পদ্মায় তলিয়ে গিয়েছে।

এবার নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে সেখালিপুর, তারানগর, রামনগর, দুর্লভপুর, কালিকাপুর এলাকায়। এখানকার মানুষ যথেষ্ট ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এখন। যেকোনও সময় তারানগর, আটরোশিয়া ও দুর্লভপুর গ্রাম নদীতে ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। স্থানীয়দের মতে, প্রশাসন যদি এখন কার্যকরী ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে লালগোলা শহরও আগামী কয়েক বছরে পদ্মার গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। তারা সরকারের কাছে দ্রুত নদী বাঁধ এবং স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।


