ভ্যাটিকান সিটিতে নববর্ষের বার্ষিক কূটনৈতিক সভায় পোপ লিও চতুর্দশ পশ্চিম তীর ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের নিজস্ব ভূমিতে শান্তি ও নিরাপদে থাকার অধিকার রাখে। পোপের এই মন্তব্য পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং গাজার মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে করা হয়েছে।
সভায় পোপ উল্লেখ করেন, পশ্চিম তীরে সাধারণ ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ওপর সহিংসতা বাড়ছে, আর গাজার মানুষ যুদ্ধবিরতির পরেও মানবিক দুর্ভোগে রয়েছে। তিনি বলেন, শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে হবে, সামরিক শক্তি বা জোটের মাধ্যমে নয়।
পোপ লিও চতুর্দশ আরও বলেন, বিশ্বে সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধের উন্মাদনা বেড়ে গেছে এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতির দুর্বলতা উদ্বেগের বিষয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের বৈধ আকাঙ্ক্ষা পূরণের একমাত্র উপায় হিসেবে তিনি “দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান”কেই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।
ভ্যাটিকান সমস্ত কূটনৈতিক উদ্যোগকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, যাতে ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি জনগণের দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। পোপ সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যুদ্ধবিরতি থাকলেও সাধারণ মানুষের কষ্ট কমেনি, বরং ক্রমবর্ধমান সহিংসতা তাদের জীবনকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
শেষে পোপ সকল দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান আনা যায়। তিনি দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানকে ফিলিস্তিন-ইসরাইল সমস্যার স্থায়ী ও ন্যায়সংগত সমাধানের একমাত্র পথ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


