রায়গঞ্জে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ সারজিনা খাতুনের (১৯) মৃত্যু হয়। মৃতার বাড়ি ইটাহার থানার সুরুন এলাকায়। ঘটনার পরই নার্সিংহোম চত্বরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতির কারণে সারজিনার মৃত্যু হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জানুয়ারি বাড়িতে আগুন লাগার সময় সারজিনার পোশাকে আগুন ধরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাঁচ দিনের চিকিৎসার পর জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে সারজিনাকে মঙ্গলবার ইন্দিরা কলোনির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালে আইসিইউ-তে রাখার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাকে জেনারেল বেডে রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসার অভাবে বুধবার সকালে সারজিনা মারা যান। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা নার্সিংহোম এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নানাভাবে প্রতিবাদ করেছেন। পরিবারের সদস্যদের কথায়, চিকিৎসকের দায়িত্বহীনতার কারণে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে নার্সিংহোমের ইনচার্জ অরিজিৎ মিত্র বলেন, রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল এবং বিষয়টি পরিবারের লোকদের জানানো হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, দায়িত্বপালনরত চিকিৎসক অরূপ কুমার দত্ত যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছিলেন এবং যে কোনও অভিযোগ অযৌক্তিক।


