গাজার পশ্চিম তীরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের ঘটনা। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রতি সপ্তাহেই শতাধিক ফিলিস্তিনিকে আটক করে, জিজ্ঞাসাবাদ চালায় এবং নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করে। সংগঠনের দাবি, বেশিরভাগ মানুষকেই কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনের মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়, কিন্তু তারা সকলেই দুর্ব্যবহার ও ভয়ের পরিবেশের মধ্যে দিয়ে যেতে বাধ্য হন।
সংস্থার মিডিয়া কর্মকর্তা ইমানি সেরাহিন বলেন, ইসরায়েলি সেনারা শুধু সেইসব গ্রেপ্তারই প্রকাশ করে যাদের কারাগারে পাঠানো হয়। কিন্তু বহু ফিলিস্তিনির বাড়িতে হানা দেওয়া, তাদের জিনিসপত্র ভাঙচুর, টাকা-পয়সা লুট এবং কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার ঘটনাগুলি ইচ্ছাকৃত ভাবে লুকিয়ে রাখা হয়।
সেরাহিন জানান, সম্প্রতি টুবাসে সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় মাত্র একদিনেই ১৬২ জনকে আটক করা হয়েছে। অথচ সেনাবাহিনী দাবি করছে, ওই সপ্তাহে মাত্র কয়েকজন মানুষকে আটক করা হয়েছিল। জেরা করার সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর মারধর, গালিগালাজ, হুমকি ও ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা বলে তিনি জানান। ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র নষ্ট করা, পরিবারের সঞ্চয় লুট করে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে ইসরাইলি সেনাদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই জেনিন ও তুলকারেমের শরণার্থী শিবির থেকে ৪২ হাজারের বেশি মানুষকে বলপূর্বক সরিয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা।


